বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭

আনারস পাতা ও কলাগাছের আশঁ থেকে সুতা তৈরী হবে শিল্পজাত পণ্য ও উচ্চমানের কাপড়।

মধুপরে নতুন সম্ভাবনা আনারস পাতা ও কলাগাছের আঁশ থেকে সুতা তৈরি হবে শিল্পজাত পণ্য ও উচ্চমানের কাপড়
পর্তুগিজ শব্দ ‘এনান্যাস’ থেকে আনারস
শব্দের উৎপত্তি। বৈজ্ঞানিক নাম এনান্যাস
সেটাইভাস। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের ফল
হলেও আনারসের আদিনিবাস ব্রাজিল ও
প্যারাগুয়ে। আনারস স্বাদে ও গন্ধে
অতুলনীয়। যারা একবার মুখে দিয়েছেন নাম
শুনলেই তাদের জিহ্বায় পানি আসবেই।
রেড ইন্ডিয়ানদের ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম
উপকরণ রসালো এই আনারস। ১৯৪২ সালে
বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার
ইদিলপুরের গারো মহিলা দয়াময়ী সাংমা
ওরফে মিজিবুড়ি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের
গাছোয়াপাড়া গ্রাম থেকে প্রথম আনারস
চারা নিয়ে আসেন।
মধুপুরের ইদিলপুরের উঁচু জমিতে আনারস
আবাদ শুরু হয়। সেই থেকে বিস্তৃত হয়ে
বর্তমানে মধুপুর ছাড়াও গড় এলাকার
মুক্তাগাছা, ফুলবাড়ীয়া ও ঘাটাইল
উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার একরে আনারস
আবাদ হয়। এ ছাড়া এ গড়ে প্রায় ১৫ হাজার
একরে কলার আবাদ হয়। বাগান হতে ফল
সংগ্রহের পর বিপুল পরিমাণ আনারস, কলার
পাতা ও কা- বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেয়া হয়।
গো-খাদ্য হিসেবে পাতার কিছু ব্যবহার
থাকলেও বস্তুত বাকি অংশ কোনো কাজে
আসে না।
তবে এই ফলজাত বর্জ্য নিয়ে এখন সম্ভাবনার
দ্বার খুলে যাচ্ছে। প্রযুক্তিগতভাবে
প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পদে পরিণত করার মধ্য
দিয়ে সে সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হচ্ছে। এর
উদ্ভাবন ও বিকাশের মাধ্যমে দারিদ্র্য
বিমোচনের পথও খুলে যেতে পারে।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে দেখা যায়,
‘বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স
অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’ সম্প্রতি ‘ইউরোপীয়
ইউনিয়ন’ ও ‘শিল্প মন্ত্রণালয়’-এর আর্থিক
সহায়তায় ‘বাংলাদেশ ইন্সস্পায়ার্ড’ নামক
প্রকল্প তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে।
মধুপুর উপজেলার গড় এলাকাকে এর ফোকাস
পয়েন্ট হিসেবে বাছাই করেছে। এ এলাকার
উৎপাদিত আনারসের পাতা ও কলাগাছের
বর্জ্য হতে আঁশ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত এবং
উৎপাদিত আঁশ দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরির
কৌশল, দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা
উন্নয়নসহ পণ্য বাজারজাতকরণ ইত্যাদি
বিষয়ে ধারণা-জ্ঞান লাভ এ প্রশিক্ষণের
প্রধান উদ্দেশ্য। “কৃষিজ বর্জ্য হতে প্রাপ্ত
প্রাকৃতিক আঁশ থেকে উৎপন্ন পণ্যের মান
উন্নয়নের মাধ্যমে নারীদের আর্থ-সামাজিক
ক্ষমতায়ন” নামের এ প্রকল্প বাংলাদেশ
উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
(বিডব্লিউসিসিআই) পরিচালনা করছে।
মধুপুর উপজেলার জলছত্র কার্যালয়ের
উৎপাদন কেন্দ্রে নির্বাচিত ৫০০ গ্রামীণ
নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
প্রশিক্ষণকালীন বিভিন্ন আকর্ষণীয় পণ্য
যেমন হাত ব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, গহনার
বাক্স, ওয়াল ম্যাট, টিস্যু বক্স, কলমদানী,
হ্যাট, নারীদের বিভিন্ন ধরনের অলংকার
ইত্যাদি তৈরি করছে। এছাড়া এ জাতীয়
কৃষিজ বর্জ্য থেকে প্রাকৃতিক আঁশ ও সুতা
উৎপাদন করে পরিবেশ সম্মত পোশাক ও
হস্তশিল্প উৎপাদনের মাধ্যমে নারীদের
কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের রপ্তানি আয়
বৃদ্ধির অপার সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি
হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, মূলত
আনারস ও কলাগাছের আঁশ প্রকল্পের কাঁচা
পণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মধুপুর গড়ে আনারসের পাশাপাশি প্রায় ১৫
হাজার একরে কলার বাণিজ্যিক আবাদ হয়।
আনারস ও কলার বর্জ্য থেকে সুতা ও কাপড়
তৈরির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান
ও আয় বৃদ্ধির অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আঁশ উৎপাদন বাণিজ্যিকভাবে করা গেলে
বিদেশ থেকে সুতা আমদানি হ্রাস পাবে।
গার্মেন্ট খাতে নতুন পোশাক তৈরিতে
অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করবে। এমনকি এসব
বর্জ্য থেকে জৈবিক সার তৈরি করে
রাসায়নিক সারের ব্যবহার হ্রাস করা যাবে।
প্রকল্পের মধুপুর ইউনিট ম্যানেজার এস এম
আজাদ রহমান গণমাধ্যমকে জানান, এটি
শীঘ্রই সফল প্রকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ
করতে যাচ্ছে। মধুপুর ছাড়াও নরসিংদী ও
গাইবান্ধায় প্রায় দুই হাজার নারীকে
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থার
সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক
পর্যায়ে শুধু হস্তশিল্প সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত ও বিপণন সহজতর
হলে পিছিয়ে পড়া নারীদের অর্থনৈতিক
উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা যাবে। তবে
তার জন্য প্রয়োজন এই খাতের সঠিক
পৃষ্ঠপোষকতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

রবিবার, ২৮ মে, ২০১৭

সাগরদিঘী নাম করনে ইতিহান

ঘাটাইল গারোবাজার এর  প্রতিনিতি।
ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি.
পূর্বে সাগরদীঘি নামক একটি স্থান রয়েছে।
এখানে ১২.৮০ একর জমির উপর একটি বিখ্যাত
দীঘি আছে। দীঘিটি খনন করেন স্থানীয় পাল
বংশীয় সাগর রাজা। অবস্থান
////
বাংলাদেশের টাংগাইল জেলার ঘাটাইল
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি. পূর্বে
সাগরদীঘি নামক স্থানে অবস্থিত।

ইতিহাস
//
দীঘিটি খনন করেন স্থানীয় পাল বংশীয় সাগর
রাজা। এই দিঘির পশ্চিমপাড়ে শান বাঁধানো
ঘাটলার ধ্বংসাবশেষ এখনও লক্ষ করা যায় যা
সাগর রাজার বাসস্থান বলে ধারণা করা হয়।
এখানকার পূর্ব নাম ছিলো লোহানী। সাগরদীঘি
থেকে সামান্য দক্ষিণে এর চেয়েও প্রকান্ড এক
দীঘি আছে যার আয়তন হবে ২৫ একর জার নাম
বইন্যদীঘি । সাগর রাজার পুত্র বনরাজ পাল এটি
খনন করেছিলেন বলে জানা যায়।

সাগরদিঘী নাম করনে ইতিহান

ঘাটাইল গারোবাজার এর  প্রতিনিতি।
ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি.
পূর্বে সাগরদীঘি নামক একটি স্থান রয়েছে।
এখানে ১২.৮০ একর জমির উপর একটি বিখ্যাত
দীঘি আছে। দীঘিটি খনন করেন স্থানীয় পাল
বংশীয় সাগর রাজা। অবস্থান
////
বাংলাদেশের টাংগাইল জেলার ঘাটাইল
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি. পূর্বে
সাগরদীঘি নামক স্থানে অবস্থিত।

ইতিহাস
//
দীঘিটি খনন করেন স্থানীয় পাল বংশীয় সাগর
রাজা। এই দিঘির পশ্চিমপাড়ে শান বাঁধানো
ঘাটলার ধ্বংসাবশেষ এখনও লক্ষ করা যায় যা
সাগর রাজার বাসস্থান বলে ধারণা করা হয়।
এখানকার পূর্ব নাম ছিলো লোহানী। সাগরদীঘি
থেকে সামান্য দক্ষিণে এর চেয়েও প্রকান্ড এক
দীঘি আছে যার আয়তন হবে ২৫ একর জার নাম
বইন্যদীঘি । সাগর রাজার পুত্র বনরাজ পাল এটি
খনন করেছিলেন বলে জানা যায়।

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

টাংঙ্গাইল আমার মাতৃভূমি জন্মভূমি দেশ। দেলোয়ার হোসেন বাবন

টাঙ্গাইল আমার মাতৃভূমি
মাগো তোমার আদর মেখে
জন্ম দিলো এই মাটিতে
তোমার মুখ দেখে দেখে
ঘুমাই মাগো শান্তি তাতে।
ছোট্র শিশুর কপাল চুমে
প্রভুর কাছে করলে দো'য়া
ঘুৃম পাড়ালে আঁচল ঘুমে
দিয়ে তোমার শীতল ছোঁয়া।
মাগো তোমার সবুজ ছোঁয়ায়
স্বর্গ পেলাম তোমার কোলে
মন জুড়ায় প্রাণও জুড়ায়
সকল দুঃখ যাই ভুলে।
টাঙ্গাইল জেলার মাটি চুমি
এই মাটিতে নতো মাথা
ধন্য আমার জন্ম ভুমি
ভুলবোনা মা তোমার কথা।

বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬

বর্ষণ মুখর রাত

বৃষ্টি বিধৌত পথের দুপাশে পানি জমে আছে আশে পাশের ডোবা নালাও টুইটুম্বর। নির্জন পথ জনমানবের নেই চিহ্নমাত্র সারাদিন বৃষ্টির পড়ে নেমে এলো রাত জানালা থেকে পড়ার টেবিলে এলাম দু"একটা বই নেড়েচেড়ে দেখলাম। থেকে থেকে দমকা হাওয়া ঘরে ঢুকছে গুড়ু গুড়ু শব্দে আমার বুকটা কাঁপছে উন্মনা মন আমার অধীর আকুলতায় মেঘের রথে চড়ে কোথায় যেনো ভেসে যাই ঝলছে উঠছে বিজলী অন্ধকার ভেদ করে ব্যাঙের অবিশ্রান্ত ডাকে থাকতে পারিনা ঘরে সেই রাতে পাই এক বিস্ময়কর অনুভূতি বড় পাতিলে রেখেছিলাম কেরোসিনের পিদিম বাতি। মেঘের মাদল তখনো বেজে উঠে কতো গান কতো সেই সুর আজ শুধু মনে পড়ছে।

রবিবার, ১ মে, ২০১৬

আমার মায়ের কোল

পৃথিবীর সব থেকে নিরাপদ জায়গা আমার মায়ের কোল ক্ষমা পাই সেথায় গিয়ে করেও মহাভুল মা যে আমার চাঁদ সূর্য দিন রাতে জ্বলে কত আঘাত দেই যে মাকে কাউকে নাহি বলে নেইতো মায়ের মান অভিমান নেইতো কোন রাগ উজাড় করে দেয় মোদের সমান সোহাগ মা যে আমার অসহায় থাকে যখন একা পথ চেয়ে বসে থাকে পেতে আমার দেখা অন্ধকার জীবনে মা-যে আমার পূর্ণিমারে আলো তাইতো মা কে বাসি এতো ভালো

বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৬

বানান শিখার জন্য কপি পোষ্ট করেছি


 দূরত্ব বোঝায় না এরূপ শব্দে উ-কার
যোগে 'দুর' ('দুর' উপসর্গ) বা 'দু+রেফ' হবে।
যেমন— দুরবস্থা, দুরন্ত, দুরাকাঙ্ক্ষা,
দুরারোগ্য, দুরূহ, দুর্গা, দুর্গতি, দুর্গ,
দুর্দান্ত, দুর্নীতি, দুর্যোগ, দুর্ঘটনা,
দুর্নাম, দুর্ভোগ, দুর্দিন, দুর্বল, দুর্জয়
ইত্যাদি।
২. দূরত্ব বোঝায় এমন শব্দে ঊ-কার
যোগে 'দূর' হবে। যেমন— দূর, দূরবর্তী, দূর-
দূরান্ত, দূরীকরণ, অদূর, দূরত্ব, দূরবীক্ষণ
ইত্যাদি।
৩. পদের শেষে '-জীবী' ঈ-কার হবে।
যেমন— চাকরিজীবী, পেশাজীবী,
শ্রমজীবী, কৃষিজীবী, আইনজীবী
ইত্যাদি।
৪. পদের শেষে '-বলি' (আবলি) ই-কার
হবে। যেমন— কার্যাবলি, শর্তাবলি,
ব্যাখ্যাবলি, নিয়মাবলি, তথ্যাবলি,
রচনাবলি ইত্যাদি।
৫. 'স্ট' এবং 'ষ্ট' ব্যবহার: বিদেশি শব্দে
'স্ট' ব্যবহার হবে। বিশেষ করে
ইংরেজি st যোগে শব্দগুলোতে 'স্ট'
ব্যবহার হবে। যেমন— পোস্ট, স্টার,
স্টাফ, স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, মাস্টার,
ডাস্টার, পোস্টার, স্টুডিও, ফাস্ট,
লাস্ট, বেস্ট ইত্যাদি। ষত্ব-বিধান
অনুযায়ী বাংলা বানানে ট-বর্গীয়
বর্ণে 'ষ্ট' ব্যবহার হবে। যেমন— বৃষ্টি,
কৃষ্টি, সৃষ্টি, দৃষ্টি, মিষ্টি, নষ্ট, কষ্ট, তুষ্ট,
সন্তুষ্ট ইত্যাদি। অর্থাৎ 'স্ট'-এর উচ্চারণ
হবে ‘স্ট্’-এর মতো এবং 'ষ্ট'-এর উচ্চারণ
হবে ‘শ্টো’-এর মতো। যেমন— পোস্ট
(পোস্ট্), লাস্ট (লাস্ট্), কষ্ট (কশ্টো), তুষ্ট
(তুশ্টো) ইত্যাদি।
৬. যুক্তবর্ণে ‘স’ এবং ‘ষ’ ব্যবহার:
▓ অ/আ-কারের পর যুক্তবর্ণে স হবে।
যেমন— তিরস্কার, তেজস্ক্রিয়, নমস্কার,
পুরস্কার, পুরস্কৃত, বয়স্ক, ভস্ম, ভাস্কর,
ভাস্কর্য, মনস্ক, সংস্কার, পরস্পর, বৃহস্পতি
ইত্যাদি। এর ব্যতিক্রম বাষ্প দ্বারা
গঠিত শব্দসমূহ। এছাড়া স্পৃশ্য, স্পর্ধা, স্পষ্ট,
স্পন্দ, স্পন্দন, স্পর্শ, স্পৃষ্ট, স্পর্শী, স্মর, স্মৃত/
স্মৃতি, স্মিত, স্মরণ, বিস্ময় দ্বারা গঠিত
শব্দে স হবে। নিষ্ফল বাদে সকল ‘ফ’-এ ‘স’
হবে।
▓ ই/ঈ-কার, উ/ঊ-কার, এ/ঐ-কার এবং ও/ঔ-
কারের পর যুক্তবর্ণে ষ হবে। যেমন—
আবিষ্কর, আয়ুষ্কাল, আয়ুষ্কর, আয়ুষ্মান,
আয়ুষ্মতী, উষ্ম, কুষ্মাণ্ড, গ্রীষ্ম, গীষ্পতি,
গোষ্পদ, চতুষ্কোণ, চতুষ্পার্শ্ব, চতুষ্পদ,
জ্যোতিষ্ক, দুষ্কর্ম, দুষ্কর, দুষ্প্রাপ্য,
নিষ্কাশন, নিষ্কণ্টক, নিষ্পাপ,
নিষ্পত্তি, নৈষ্কর্ম্য, পরিষ্কার,
পুষ্করিণী, পুষ্প, মস্তিষ্ক, শ্লেষ্মা, শুষ্ক
ইত্যাদি। এর ব্যতিক্রম বিস্ময় দ্বারা
গঠিত শব্দসমূহ।
[দ্রষ্টব্য: বাংলা বানানে স্ট/স্ঠ এবং
ষ্ত/ষ্থ হবে না। তাই নিম্নের
নিয়মগুলোতে ‘ষ্ট/ষ্ঠ’ এবং ‘স্ত/স্থ’
দ্বারা গঠিত বানান প্রযোজ্য নয়।]
৭. 'পূর্ণ' এবং 'পুন' (পুনঃ/পুন+রেফ/পুনরায়)
ব্যবহার : 'পূর্ণ' (ইংরেজিতে Full/Complete
অর্থে) শব্দটিতে ঊ-কার এবং র্ণ
যোগে ব্যবহার হবে। যেমন— পূর্ণরূপ,
পূর্ণমান, সম্পূর্ণ, পরিপূর্ণ ইত্যাদি।
'পুন-' (পুনঃ/পুন+রেফ/পুনরায়—
ইংরেজিতে Re- অর্থে) শব্দটিতে উ-
কার হবে এবং অন্য শব্দটির সাথে যুক্ত
হয়ে ব্যবহার হবে। যেমন— পুনঃপ্রকাশ,
পুনঃপরীক্ষা, পুনঃপ্রবেশ,
পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পুনঃপুন, পুনর্জীবিত,
পুনর্নিয়োগ, পুনর্নির্মাণ, পুনর্মিলন,
পুনর্লাভ, পুনর্মুদ্রিত, পুনরুদ্ধার,
পুনর্বিচার, পুনর্বিবেচনা, পুনর্গঠন,
পুনর্বাসন ইত্যাদি।
৮. পদের শেষে'-গ্রস্থ' নয় '-গ্রস্ত' হবে।
যেমন— বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত,
হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ইত্যাদি।
৯. অঞ্জলি দ্বারা গঠিত সকল শব্দে ই-
কার হবে। যেমন— অঞ্জলি,
গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি ইত্যাদি।
১০. 'কে' এবং '-কে' ব্যবহার: প্রশ্নবোধক
অর্থে 'কে' (ইংরেজিতে Who অর্থে)
আলাদা ব্যবহার হয়। যেমন— হৃদয় কে?
প্রশ্ন করা বোঝায় না এমন শব্দে '-কে'
একসাথে ব্যবহার হবে। যেমন— হৃদয়কে
আসতে বলো।
১১. বিদেশি শব্দে ণ, ছ, ষ ব্যবহার হবে
না। যেমন— হর্ন, কর্নার, সমিল (করাতকল),
স্টার, বাসস্ট্যান্ড, ফটোস্ট্যাট,
আস্সালামু আলাইকুম, ইনসান ইত্যাদি।
১২. অ্যা, এ ব্যবহার: বিদেশি বাঁকা
শব্দের উচ্চারণে 'অ্যা' ব্যবহার হয়। যেমন
— অ্যান্ড (And), অ্যাড (Ad/Add),
অ্যাকাউন্ট (Account), অ্যাম্বুলেন্স
(Ambulance), অ্যাসিস্ট্যান্ট (Assistant),
অ্যাডভোকেট (Advocate),
অ্যাকাডেমিক (Academic),
অ্যাডভোকেসি (Advocacy) ইত্যাদি।
অবিকৃত বা সরলভাবে উচ্চারণে 'এ' হয়।
যেমন— এন্টার (Enter), এন্ড (End), এডিট
(Edit) ইত্যাদি।
১৩. ইংরেজি বর্ণ S-এর বাংলা
প্রতিবর্ণ হবে 'স' এবং sh, -sion, -tion
বর্ণগুচ্ছে 'শ' হবে। যেমন— সিট (Seat/Sit),
শিট, (Sheet), রেজিস্ট্রেশন (Registration),
মিশন (Mission) ইত্যাদি।
১৪. আরবি বর্ণ ﺵ (শিন)-এর বাংলা বর্ণ
রূপ হবে 'শ' এবং ﺙ (সা), ﺱ (সিন) ও ﺹ
(সোয়াদ)-এর বাংলা বর্ণ রূপ হবে 'স'। ﺙ
(সা), ﺱ (সিন) ও ﺹ (সোয়াদ)-এর
উচ্চারিত রূপ মূল শব্দের মতো হবে এবং
বাংলা বানানের ক্ষেত্রে 'স'
ব্যবহার হবে এবং 'স'-এর স্বতন্ত্র উচ্চারণ
হবে। যেমন— সালাম, শাহাদত, শামস,
ইনসান ইত্যাদি। আরবি, ফারসি,
ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা থেকে
আগত শব্দ বা নামসমূহে ছ, ণ ও ষ ব্যবহার
হবে না।
১৫. শ ষ